. Informed . Opinions .

May 31, 2016

The Positive Sciences of the Ancient ‘Hindu’s and Other Books

Filed under: India — Tags: , , , — Raja @ 2:54 PM

Click on the ‘pages’ to flip

The Positive Sciences of the Ancient Hindus

http://hdl.handle.net/2027/mdp.39015013134401?urlappend=%3Bui=embed

The positive background of Hindu sociology

http://hdl.handle.net/2027/mdp.39015036357575?urlappend=%3Bui=embed

Hindu achievements in exact science; a study in the history of scientific development

http://hdl.handle.net/2027/mdp.39015031080354?urlappend=%3Bui=embed

September 15, 2015

চেনা গপ্পো

Filed under: Holy Fcuk, India — Raja @ 3:43 PM

কল্লোলবাবুর দিকে তাকিয়ে সন্ন্যাসী বললেন, “কি রে শুও.. …চ্চা, চিনতে পারছিস? বেশ তো গোঁফ কামিয়ে চশমা লাগিয়ে গুছিয়ে বসেছিস দেখছি এখানে”
কল্লোলবাবু গ্রামের স্কুলের নতুন বাঙলা টিচার। প্রথমে চমকে গেলেও সামলে নিলেন। একটু রেগেই গেলেন বলতে গেলে। বললেন, “কি হচ্ছে কি? পুলিশে জানতে পারলে পেঁদিয়ে গৌরীকান্ত করে দেবে যে |”
“আঁ, গৌরীকান্তর কি হয়েছে আবার?”
“আঃ, গৌরীর কিছু হয় নি, ওর বাপের নাম খগেন ছিল । ….. তাই বললাম |”
“খুব কথা ফুটেছে দেখছি? তা ভালো, একটা থাকার ব্যবস্থা কর দেখি এখানে। সাধু সন্ন্যাসী তান্ত্রিক দের বাজার দর কেমন চলছে এখানে? আরো দু-চার জায়গা ঘুরে দেখলাম, বুঝলি, লোক-এর ভক্তি আছে তো পয়সা নেই, পয়সা আছে তো ভক্তি নেই. দুনিয়াটা নরাধমে ভরে গেল রে |”
“দেখি কি করতে পারি।”
“দেখি টেখি নয় বাপু, আমায় কোথাও যেতে হলে এবার তোমায় সঙ্গে নিয়ে যাব, খেয়াল রেখো ।”
“by the way, দাড়িটা কি আসল না নাটকের দল থেকে ঝাড়া?”
“এই দাড়ি বানাতে গেলে আমাকে আড়াই বছর বয়স থেকে দাড়ি রাখতে হত রে হারামজাদা”
“আঃ, ভাষাটা একটু সংযত করুন |”
“ওরে বান…”
“থাক থাক. এবার শুনুন কি করতে হবে |”
“বলে ফেল, ততক্ষণ আমি মুড়ি বাদাম দিয়ে দু পেগ মেরে নি |”
“শুনুন। ওই দুরে সাদা বড় বাড়িটা ব্রজবিলাস বাবুর। বড়লোক। ধার্মিক মানুষ। ওনাকে পটাতে পারলে আধেক মুশকিল আসান। পারবেন?”
“ও তুই আমার ওপর ছেড়ে দে | বাকি প্ল্যান বল |”
“ওনাকে দিয়ে শুরু করুন। আমি দেখছি আপনাকে হিমালয় ফেরত বলে চালিয়ে কিছু ব্যবস্থা ……..”
“পাগল না হরিশ্চন্দ্র? খবর্দার হিমালয় বলিস না – হিমালয়ের ঢপ দিতে গিয়ে এক জায়গায় রাম ক্যালান খেয়েছি। জায়গাটা সুবিধের নয়, চেনাশোনার মধ্যে কোনো জায়গা বল”
“specialization কি বলবো? পারিবারিক শান্তি? গুপ্তরোগ?”
“না না, রোগ টোগ নয়. লোক ভাড়া করে নাটক করাতে অনেক টাকা লাগবে । মন্ত্রপূত ফুল দিতে পারি – অনেক practice করেছি ………”

ব্রজবিলাস বাবুর বাড়ির পাশে রাতারাতি একটা ছোট বাড়ি তৈরী হলো – রতনলাল বাবার আশ্রম। ধুলাগড়ি ধামের কথা আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়তে লাগলো। রতনলাল যে সে সন্ন্যাসী বা তান্ত্রিক নয়. আজকাল তো আকছার হিমালয়-ফেরত সাধু সন্ন্যাসী দেখা যায় দেশের আনাচে কানাচে। কিন্তু রতনলাল সবার চেয়ে আলাদা। হিমালয়ে হাজার হাজার বছর ধরে তপস্যা করে সাধু সন্ন্যাসীরা হিমালয়ের জ্ঞানের ভান্ডার শুষে নিয়েছেন একেবারে। সেখানে তপস্যা করে কোনো জ্ঞানলাভের আশা নেই বুঝতে পেরে রতনলাল তপস্যা করেছেন সুন্দরবনে। আড়াই বছর বয়স থেকে। অবশ্য এ ব্যাপারে সন্ন্যাসীমশাই কিছু বলেন না – নিজের ঢাক পেটানো সাধু সন্ন্যাসীদের মানায় না | এ সব কল্লোলবাবু স্বপ্নে জেনেছেন।

আড়াই বছর থেকে বিয়াল্লিশ বছর কঠোর তপস্যা আর তন্ত্রসাধনা করার পর একদিন হঠাৎ তপস্যারত রতনলালকে একটি বাঘ আক্রমণ করে | ক্রোধিত রতনলাল বাঘটিকে এক চড় মারেন। সেই চড়েই বাঘ মারা যায় আর মৃত বাঘ থেকে স্বয়ং মহাদেব বেরিয়ে বলেন, “বাবা রতন, তোমার সাধনায় আমি খুব happy, তুমি এই বাঘের চামড়া আমার একনিষ্ঠ ভক্ত বড়বাজারের রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালাকে দিও | সময় সুযোগ পেলে আবার এসো, আমি আবার বাঘ রূপ ধারণ করে তোমার সামনে আসব | আমার আরো কিছু মারোয়াড়ি ভক্তের মনস্কামনা পূর্ণ করব তোমার পুণ্য হাত দিয়ে ।”

এভাবেই চলছিল। কিন্তু সুন্দরবনে বেশ কয়েকবছর হোলো পুলিশের নজর বেড়ে যাওয়াতে মহাদেব ক্ষুণ্ন হলেন – দেখা দেওয়া বন্ধ করে দিলেন। তখন রতনলাল বেরিয়ে পড়লেন দেশের সাধারণ মানুষের সেবা করতে। তবে যেহেতু পুলিশের অধার্মিক আচরণে মহাদেব ক্ষুণ্ন হয়েছিলেন, সেহেতু রতনলাল পুলিশ দেখলেই নিজেকে মায়াবলে অদৃশ্য করে ফেলেন।

এহেন মহাপুরুষের কথা ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগে না | গ্রামের প্রাচীন বটবৃক্ষের তলায় রোজ সন্ধে বেলা ভক্তের ভিড় উপচে পড়তে লাগল। কল্লোলবাবুর তত্ত্বাবধানে গ্রামের স্কুলের ছেলে-মেয়েরা ভক্তিমূলক নাটক পরিবেশন করতে লাগলো প্রতি রবিবার। ধুলাগড়ি ধাম এতই বিখ্যাত হয়ে উঠলো যে হাওড়া-কোলকাতা থেকে লোকজন আসার সুবিধে করতে হাওড়া-ধুলাগড়ি মিনিবাস চালু করার ব্যবস্থা করলেন গ্রামের দুই মাতব্বর – রঞ্জনগোপাল দত্ত আর শিবাশীষ মুখোপাধ্যায় ।

শনি-রোববার করে হাওড়া কোলকাতা থেকে পাপীতাপী লোকজন আসতে লাগলেন। যাঁরা আসতে পারছেন না তাঁরা বাবার ছবির জন্য বায়না করলেন। তবে রতন বাবার আস্তানার কোন ছবি তোলা ছিল বারণ। শোনা যায় মহাদেব যেমন পুলিশ পছন্দ করেন না, তেমন ক্যামেরা দেখলেও ক্ষেপে যান | রতনবাবুই নাকি তার জন্যে দায়ী। মহাদেবের সঙ্গে কোনো এক সাক্ষাত্কারে রতনবাবু তাঁর ছবি নিতে গিয়েছিলেন। ফ্ল্যাশ দেওয়ায় মহাদেবের নেশা চটকে যায় আর তিনি ক্যামেরা ভস্ম করে দেন |

যাহোক, ফটো তোলা না যাক, ছবি আঁকা তো যায়. কল্লোলবাবু কলকাতা থেকে শিল্পী আনিয়ে, ছবি আঁকিয়ে, ফোটোকপি করে, সুলভ মূল্যে তা ভক্তগণের মধ্যে বিতরণ করতে লাগলেন।

আঁকা ছবিতে এখনো দেখা যায় উপচে পড়া ভিড় | দেখা যায় রতনলাল বাবার মাথার পিছনে এক জ্যোতির্ময় বলয় যা বটগাছের নীচের অন্ধকারকে দূর করে দিয়েছে । আর দেখা যায় বটগাছের ওপর থেকে ঝুলে পড়া দুটি সুদীর্ঘ লাঙ্গুল। ধুলাগড়িতে বছর তিনেকের বাসিন্দা একটি হনুমান পরিবারের লাঙ্গুল ওইদুটি। তারা পাশের কলাঝাড় থেকে কলা চুরি করে এনে এই গাছে বসে খায় আর বাবার অমৃতবাণী শোনে।

দিন যায়, মাস যায় – বাবা এসেছিলেন চৈত্রের শেষে । দেখতে দেখতে এসে গেল ভাদ্রমাস । বটবৃক্ষের নীচে রবিবার সকালের ভিড় – তিলধারণের জায়গা নেই | এক মহিলা বাবার কাছে নিজের দুরবস্থার সবিস্তার বিবরণ দিলেন। বাবা আকাশে হাত পাতলেন, একটি রক্তজবা কোথা থেকে এসে গেল তাঁর হাতে। রক্তজবা নিয়ে মহিলা কাঁদতে কাঁদতে বাবার পায়ে লুটিয়ে পড়লেন। যাহোক, কিছু ভক্ত তাকে সরিয়ে নিয়ে গেল | এবার এক মাঝবয়স্ক পুরুষ তার দুঃখের কাহিনী শোনাতে বাবা আবার আকাশে হাত পাতলেন। রক্তজবা এলো. কিন্তু তার ওপর এসে পড়ল একটা কলা |

তারপর যা হলো তা মহা প্রলয় |

সুন্দরবনের বাঘকে চড়-কষানো রতনলাল বাবার সাড়ে উনচল্লিশ বছরের দাড়ি আর বিয়াল্লিশ বছরের চুল ধুলাগড়ির হনুমানের এক থাপ্পড়ে উড়ে গিয়ে বটগাছের ডালে আটকে গেল | ভক্তদের মধ্যে নেমে এলো প্রবল বিস্ময় |

কল্লোলবাবু হঠাৎ বলে উঠলেন – “আহা, বাবার কি মহিমা। এ কি দেখলাম আজ! আরে এ তো ওপরের লেভেলের খেলা। মহাদেবের সঙ্গে স্বয়ং হনুমানের খুনসুটি। আমরা আজ ধন্য হয়ে গেলাম।”

কেউ অবিশ্বাস আর কেউ ভক্তিময় বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে রইল |

তার মধ্যে থেকে একজনের চিৎকার শোনা গেল, “সালা বহেন…. হামাকে নকলী টাইগার স্কিন সেল কিয়ে বাবা বনকে বয়ঠা হ্যায় য়াহাঁ ……. পকড়ো সালেকো ……”

======================

এই পর্যন্ত বলে কপুজেঠু হঠাৎ জিগ্যেস করলো, “বল রাজা, এর পর কি হোলো?”
আমি বললাম, “এর পর আর কী, দুষ্টু লোকটাকে বোধ হয় পুলিশে ধরলো আর ধুলাগড়ির লোকজন সুখে বাস করতে লাগলো।”
জেঠু বললো, “এ কি তোর্ কেলাস থিরির বাংলা সিলেবাসের গপ্পো রে? সুখে বাস করতে পারে গপ্পোতেই। কারণ গপ্পেই লোকজন সুখে বাস করতে চায় |”
“তাহলে কি হলো তার পর?”
“দিন তিনেক পর কল্লোলবাবু স্বপ্ন পেলেন যে রতনলাল বাবাই সাক্ষাৎ মহাদেব – আর তিনি চান যে কল্লোলবাবু রতনলালের আশ্রমে রতনলালের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো চালু করুন। তার পর ‘আশ্রমের’ আশেপাশে যারা চা-তেলেভাজা-সিঙ্গাড়া-কচুরি বিক্রি করত, তারাও টপাটপ সেই একই স্বপ্ন ‘পেতে’ লাগলো। রতনলাল থাকতে যত না ভিড় হত, এখন তার চেয়ে বেশি ভিড় হতে লাগলো | এমনকি, পরের বছর থেকে চৈত্র সংক্রান্তিতে রতনলালের ধুলাগড়িতে শুভাগমন উপলক্ষে ‘আগমনী মেলা’ চালু হয়ে গেল |”
“আর সেই রতনের কি হলো?”
“তিনি মায়াবলে পুলিশের ভ্যান থেকে নিজেকে অদৃশ্য করে নিয়েছিলেন আর কি | গুজব শোনা যায় যে এখন নাম আর পোশাক পাল্টে অন্য এক ধর্মের গুরু হয়ে বসেছেন।”
“পুলিশ আবার ধরছে না কেন?”
“তুই বুঝবি না – আমাদের secular country কিনা ……”

August 10, 2012

REAL ASSASSIN OF MAHATMA GANDHI

Filed under: India — Tags: , , , — Raja @ 6:28 PM
.
শিক্ষক: মহাত্মা গান্ধীকে কে মেরেছিল?
.
সুবোধ: কেউ মারে নি স্যার | দিব্যি বেঁচে বর্তে আছে আর পুকুর ধারে লুকিয়ে লুকিয়ে চান করা দেখছে – এই তো জানলা দিয়ে পষ্ট দেখতে পাচ্ছি |  শুধু নাটকের পোশাক ছেড়ে এখন আবার পল্টু হয়েছে |
.
শিক্ষক: অসভ্য বাঁদর | শৈবাল তুমি বল |
.
শৈবাল: স্যার, আগের বছর ভটকা-দা মেরেছিল | এবার ওরা দীঘা বেড়াতে গিয়েছিল বলে বাধ্য হয়ে ফটিক মেরে দিয়েছে |
.
শিক্ষক: আঃ, নাটকের কথা হচ্ছে না | আসল গান্ধীকে কে মেরেছিল?
.
স্বপন: আজ্ঞে সঠিক জানা যায় না স্যার, তবে আমার সন্দেহ হয় ওনার স্ত্রী-র হাত আছে এতে | গান্ধী বোধ হয় জয়ন্তী দেবীর সঙ্গে, মানে ………. ইয়ে …….. ফস্টিনস্টি করছিলেন, আর ওনার স্ত্রী ঘরে ঢুকে পড়েছিলেন | বিধাতার পরিহাস স্যার, তিনি তখন জানতেন না যে রোমিও-জুলিয়েট, লায়লা-মজনু, লাল্টু-টুম্পার মত গান্ধী-জয়ন্তীর গল্প-ও অমর হয়ে যাবে |
.
শিক্ষক: কী আহাম্মক সব | আচ্ছা, বাবা সুধাংশু, তুমি তো ফার্স্ট বয়, তুমিই বল |
.
সুধাংশু: স্যার আমার বইয়ের অনেকগুলো পাতা আমার ভাই সর্দি দিয়ে আটকে দিয়েছে তাই ভালো করে পড়তে পারি নি | যেটুকু পড়তে পারলাম তাতে মনে হয় হিন্দু-মুসলিম ভাগাভাগির জেরে উনি শেষ পর্যন্ত মুসোলিনির হাতেই প্রাণ দেন |

July 9, 2012

SATYENDRANATH BOSE; AND THE “GOD PARTICLE” DEMYSTIFIED

.
“সত্যেন বোস না কী জানি নাম, সে নাকি খুব একটা শক্ত কাজ করেছিল | এই তো সেদিন স্টার আনন্দ-এ বলল | কি একটা ছোট জিনিস নাকি সে কবে খুঁজে পেয়েছিল না কোথায় লুকিয়ে রাখা আছে সেই সন্ধান দিয়েছিল, এখন জানাজানি হয়েছে | তাই নিয়েই টিভি-তে কাগজে কত না মাতামাতি – কত নাকি শক্ত কাজ সেটা | ভিমরতি আর কি | আমার নাতি লাল্টু এখন এই বয়সে শক্ত শক্ত সিঁড়ি ভাঙ্গা অঙ্ক করে | এক দিন নাকি একটা লসাগুও করেছে | পাড়ার ভটচাজ্জি মশাই ফি শনিবার রক্ষেকালি পুজোর মত শক্ত পুজো করছেন | কয় তা নিয়ে তো বাপু কারুর মাথা ব্যথা নেই | যত আদিখ্যেতা | সোমেশ্বর-এর সোমত্ত মেয়ে-টা কোন ছোকরার সঙ্গে ভাব করে ভাগলো সেটা খুঁজে বার করলে তো কাজ হয় | ত়া নয়, নানা রকম টিপকল পাতিকল (particle) খুঁজে চলেছে |”
.
 
“আহা বোলো না | কোন কথায় কি দোষ হয় কে জানে | টিভি-তে বলল শোন নি, ওই বোসমশাই-কে কোন এক বড় ঠাকুর, রবি ঠাকুর বলল বোধ হয়, সাক্ষাত দিয়েছিলেন আর একটা মন্ত্রপূত বই* দিয়েছিলেন | সেই বই-তেই হয়ত ওই ছোট কি জিনিস, তার সন্ধান দেওয়া ছিল | …………………………… আচ্ছা, ভটচাজ্জি মশাই-কে বলে দেখলে হয় না, যদি কোনো হোম যজ্ঞ করে ওই রকম একটা বই স্বর্গ থেকে টেনে নামানো যায় | তাহলে পরে আমাদের পাড়ারও বেশ একটা নাম ডাক হয় |”
.
 
 * রবীন্দ্রনাথ “বিশ্ব পরিচয়” বইটি সত্যেন্দ্রনাথ বসু-কে উত্সর্গ করেছিলেন
.

February 23, 2012

IS INDIA HEADED IN THE WRONG DIRECTION?

 Is India headed in the wrong direction? I think it is time we gave some serious thoughts about the slow poisoining of our rights and values that is taking place in our country now:

  • Our right to be hit & killed by exotic cars is now often being trivialized as drunken road accidents! (Remember Shlok 32, Chapter 11 from Geeta,
    One who gets hit and killed by a speeding Lamborghini, gets to roam around in my Pushpak Viman at a 30% discounted price“) (more…)

September 22, 2011

NRI TEEN’S INDIA TRIP!

Filed under: Floating Turd, India — Tags: , , , — Raja @ 11:39 AM

So, Dad, here you are considered ‘cultured’ if you

  • are blank about a more evolved language like Sanskrit, and use English (that, too, often wrong) with the vernacular every now and then!
  • remember all the recent Emmy winners but not any PadmaBhushans (agreed, that even Rajiv Gandhi won Bharat Ratna, but then, if you have to doubt, doubt every damn award. What the big fcuk did Obama do to win the Nobel!)
  • ‘dine’ at KFC and ‘prefer to drink’ Bud Light over so many better options! (more…)

November 23, 2010

IGNORANCE IS MY MIDDLE NAME

Umashankar Tripathi used to be a man until the British cut his compound name into two pieces. Now Uma S Tripathi is clearly a woman, going by the name that is. A proud woman nevertheless – because s/he has a middle name now. Ever since we had discovered a correlation between fair skin and middle names, Indians, en masse, butchered their names. The skin complexion did not change, though. Worse, by this process of name-cutting, people like Umashankar, Vishnupriya and Ramanimohan apparently changed their gender!

Even when the temptation of changing onet’s gender is not there, it’s difficult to resist a middle name. Manmohan Singh always wanted to have a middle name, and he got one now, by being Man Mohan Singh. This did not change his gender, but put an emphasis on his gender. How many people on earth have a first name of Man or Woman? (more…)

November 17, 2010

PERSONALITY ANALYSIS USING SOCIAL NETWORKING WEBSITES

[Taken from a recent research on Indian users of Social Networking websites. Here are some common trends desi netizens follow, and what those trends say about them.]

Trend: Status message talking about some ‘celebrity’ engagement

Some recent desi status messages read:
1. “The Prince got engaged yayyyy”
2. “Another royal wedding soon”
3. “Kate Middleton and the Prince look so happy together.” (more…)

July 1, 2010

Foot(ball) in Mouth

If god is not gay, he will surely make Paraguay win this world cup. Image source: hestar.com

As if Paul’s pick was not demotivating enough for the Argentine players, now Maradona has threatened to run naked on the streets of Buenos Aires if Argentina wins the World Cup! On the other hand, think of the morale of the Paraguyan players – Larissa Riquelme will run naked if Paraguay wins the World Cup. Rumor is, even Maradona now cheers for Paraguay. The whole wide world (www) is looking forward to Paraguay’s victory in the final. To start with, the Spaniards may not even show up for their quarter final match against Paraguay.

The French players had to go home early. They care for their children. Ireland had threatened to send a team of their best Catholic priests to France after Irish defeat in the pre-WorldCup Ireland-France game.

Sepp Blatter is set to be the next Pope. He has all the qualities to be one – he doesn’t care for logic, he is a technophobe, and he has, almost certainly, stopped using condoms. (more…)

Older Posts »

Create a free website or blog at WordPress.com.

%d bloggers like this: